Home / Tag Archives: উতলধারা

Tag Archives: উতলধারা

স্বপ্নের সঙ্গে – নির্মাল্য ঘরামী

স্বপ্নের সঙ্গে

    কালিম্পং শহর থেকে ও দুপুরের মধ্যেই রওনা দিতে পেরেছিল। ঠিকমতন চললে সন্ধ্যার মধ্যেই তিস্তাবাজারের রাস্তায় কালিঝোরা পেরিয়ে সেবকে পৌঁছে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঠিকমতন যেতে পারলে তবেই তো। আটমাইলে যেতে না যেতেই শুনতে পেল যে শ্বেতীঝোরার কাছে পাহাড়ের উপর থেকে পাথরের চাঁই পড়ছে। ফলে বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি চলাচল বন্ধ …

Read More »

পুতুলদের খেলাঘর – নির্মাল্য ঘরামী

putuler khelaghor

    -চল, একটা গল্প শোনা যাক। -ঠিক আছে। -আগে তুই বল। -না, তুই বল। -না, তুই। -আরে, এ যে উত্তম-সুচিত্রা হয়ে যাচ্ছে। -হয়তো হতেও পারতো, মলিন শোনালো ওর গলা। তারপরে মুখ নামিয়ে বলল, -আচ্ছা, আমরা একসাথে থাকলে কি শুধুই ঝগড়া করতাম? -হয়তো…অনিশ্চয়তার সঙ্গে আমি বললাম, -জানি না। তবে একসঙ্গে …

Read More »

গণ্ডামণ্ডা গেল বাঘুর কাছে – মৌসুমী পাত্র

শিল্পী- গুঞ্জা

    দুপদাপ পা ফেলে হাঁটছিল গণ্ডামণ্ডা। মেজাজটা তার বেশ খারাপ। গণ্ডারনি দিদিমণি মাঝেমাঝে এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ডকারখানা করেন যে বলার নয়!         হয়েছিল কী, গতকাল পাঠশালায় গণ্ডারনি দিদিমণি তাঁর খড়্গে ক্যাটকেটে বেগুনি রঙ করে তাতে আবার ইয়াব্বড়ো একটা নোলক ঝুলিয়ে এসেছিলেন! দোষের মধ্যে গণ্ডামণ্ডা খালি বলে ফেলেছিল, “দিদিমণি, ওই বেগুনি …

Read More »

এমন একটি কবিতা লিখতে চাই – রঞ্জন চক্রবর্ত্তী

এমন একটি কবিতা লিখতে চাই

  আমি দেখেছি অনেক ঘটনা, শুনেছি অনেক কিছু কিন্তু চুপ করে থেকেছি – বলিনি একটি কথাও সত্যকে বার বার অস্বীকার করেছি অজানা বিপদের আশঙ্কায় এভাবে ভেতরের মানুষটাই হয়তো মরে গেছে কবে, তবু আজ এমন একটি কবিতা লিখতে চাই যা শব্দের কৌশল নয় – আসলে ঝরা সময়ের গান। আমি সচরাচর অপ্রিয় …

Read More »

 ম্যাকব্রুম সত্য কথা বলে – অনুবাদে নূপুর রায়চৌধুরী (মূল গল্পঃ সিড ফ্লাইসম্যান)

 ম্যাকব্রুম সত্য কথা বলে - নূপুর রায়চৌধুরী

                             ম্যাকব্রুমের চমৎকার এক একর খামার সম্পর্কে এত বেশি বোকাবোকা অর্থহীন কথা বলা হয়েছে যে, আমাকে ব্যাপারগুলো খোলসা করতেই হচ্ছে । আমি ম্যাকব্রুম । জশ ম্যাকব্রুম । তরমুজগুলো সম্পর্কে আমি এক মিনিটের মধ্যেই ব্যাখ্যা করব।   ঘটনাগুলো …

Read More »

মেয়েলি – মৌসুমী পাত্র

মেয়েলি/ মৌসুমী পাত্র

  ঢং ঢং করে স্কুলের ঘন্টাটা শেষ অব্দি পড়েই গেল। হাঁফাচ্ছে কুহেলি, প্রাণপণে দৌড়োচ্ছে স্কুলে যাবার গড়ানে রাস্তা ধরে। এইটুকুনি রাস্তা এতটা দূর হয়! এপাশের বাড়ির পলাশ গাছটা থেকে দুটো পলাশফুল সামনেই মাটিতে পড়ল। হাতে সময় থাকলে ঠিক কুড়িয়ে নিত। আজ… ইসস! বাচ্চাগুলো বেরোতে শুরু করেছে। হাঁফাতে হাঁফাতেই কুহেলি পৌঁছোল …

Read More »

যেতে যেতে – মৌসুমী পাত্র

যেতে যেতে

ক্লান্ত ছিল বছর যে এক ভালো লাগা কোথাও এক মুঠ, বাদলা-মন মনখারাপের মেঘে- জলের ফোঁটা আলগা দে- ছুট! ক্লান্ত ছিল বছর যে এক, উতল দিনে বেরঙ সাদা-কালো আখরে কথা ফুটবে বলেছিল, সময় তাকে কে দেয়, বলো? হাওয়া কবে উড়বে এলোমেলো ভাসিয়ে দিয়ে উধাও স্রোতে পাড়ি- ক্লান্ত বছর বোঝেনি সে-সব কথা, …

Read More »

হাসান- নামা – রঘুনাথ মণ্ডল

হাসান- নামা

  লোকটা ফস্‌ফস্‌ করে বিড়ি ফুঁকছিল। আমাকে দেখে মুখের বিড়িটা ফেলে দিয়ে বলল, “বাবু, ভালো আছেন?” চল্লিশ- বিয়াল্লিশ বয়স, ভাঙাচোরা এলোমেলো চেহারা, মুখে রুখো দাড়ি। রাস্তার পাশের বাড়িতে রাজমিস্ত্রীর যোগাড়ের কাজ করছে। আমার স্মৃতিশক্তি চিরকালই কমজোরি। হাঁ করে তাকিয়ে থাকা দেখেই লোকটি আবার বলে, “বাবু, আমি হাসান। টিনভাঙা, লোহাভাঙা, প্লাস্টিক …

Read More »

মিলনের পরে – নির্মাল্য ঘরামী

মিলনের পরে

    সেই ঘরটির দিকে যেতে যেতে অমিয়বাবুর আজ মনে পড়ে যাচ্ছিল সৌরীনের কথাগুলো, -একজন সফল সাহিত্যিককে বড় মাপের অসৎ হতেই হবে। -কেন? হতবাক অমিয়বাবু হাতের বইটা থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করেছিলেন, -কোন মাপকাঠিতে? -সমাজের মানদণ্ডে। সংক্ষেপে বলেছিল সৌরীন। অমিয়বাবু এত ছোট উত্তর আশা করেন নি। থুতনিতে হাত রেখে কিছুক্ষণ …

Read More »