কালিম্পং শহর থেকে ও দুপুরের মধ্যেই রওনা দিতে পেরেছিল। ঠিকমতন চললে সন্ধ্যার মধ্যেই তিস্তাবাজারের রাস্তায় কালিঝোরা পেরিয়ে সেবকে পৌঁছে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঠিকমতন যেতে পারলে তবেই তো। আটমাইলে যেতে না যেতেই শুনতে পেল যে শ্বেতীঝোরার কাছে পাহাড়ের উপর থেকে পাথরের চাঁই পড়ছে। ফলে বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি চলাচল বন্ধ …
Read More »হাসান- নামা – রঘুনাথ মণ্ডল
লোকটা ফস্ফস্ করে বিড়ি ফুঁকছিল। আমাকে দেখে মুখের বিড়িটা ফেলে দিয়ে বলল, “বাবু, ভালো আছেন?” চল্লিশ- বিয়াল্লিশ বয়স, ভাঙাচোরা এলোমেলো চেহারা, মুখে রুখো দাড়ি। রাস্তার পাশের বাড়িতে রাজমিস্ত্রীর যোগাড়ের কাজ করছে। আমার স্মৃতিশক্তি চিরকালই কমজোরি। হাঁ করে তাকিয়ে থাকা দেখেই লোকটি আবার বলে, “বাবু, আমি হাসান। টিনভাঙা, লোহাভাঙা, প্লাস্টিক …
Read More »আত্মারামের বাসর যাপন – রঘুনাথ মণ্ডল
আত্মারামের বিয়ে, কনে বিল্ববাসিনী। আগে আত্মারাম কনে দেখেনি। বাবা, মামা সম্বন্ধ করে ঠিক করেছেন। পাত্রী দেখে এসে বাবা বলেছিলেন, “আহাও নয়, ছিছিও নয়, চলনসই!” বরাসনে বসে থেকে আত্মারামের ঘুম পেয়ে গেল, কোমর কটমট। এক কাপ কড়া লিকার চা হলে বেশ হতো! বোশেখের শেষ রাতে লগ্ন। এখন খানা-পিনায় সব …
Read More »ভয়ঙ্কর অতলে দরিয়া – মৌসুমী পাত্র
এমন একটা ভয়ঙ্কর মহাপ্রলয় যে ধেয়ে আসছে, সকালবেলাতে ঘুণাক্ষরেও আঁচ পাওয়া যায়নি। তবে কেউ কি আর পায়নি? খুনখুনে বুড়ি বিজলীবতী নিজের দাওয়াতে বসে লাঠি ঠুকঠুক করতে করতে বলেছিল, “ওরে, গতিক সুবিধের ঠেকছে না। আজ আর কেউ জাল নিয়ে বেরোস নে!” তা সে বললে কি আর চলে? মাঝসাগরে জাল ফেলে …
Read More »ছেঁড়া রামধনু – মৌসুমী পাত্র
আমার মা বেজায় দুষ্টু হয়েছে আজকাল। একটা কথাও শুনতে চায় না। এই তো পরশুদিন, বললাম, মা, আইসক্রিম খাবো। কিনেই দিলো না। উলটে বলল, তোর না গত সপ্তাহে সর্দিজ্বর হয়েছিলো! বোঝো ঠ্যালা! গত সপ্তাহে জ্বর হয়েছিলো বলে এ সপ্তাহেও আইসক্রিম পাবো না! তারপরে এই তো গতকালই, বললাম টফি কিনে দিতে। তাও …
Read More »
utoldhara.com সপরিবার বাঙলির মনের ঠিকানা