কালিম্পং শহর থেকে ও দুপুরের মধ্যেই রওনা দিতে পেরেছিল। ঠিকমতন চললে সন্ধ্যার মধ্যেই তিস্তাবাজারের রাস্তায় কালিঝোরা পেরিয়ে সেবকে পৌঁছে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঠিকমতন যেতে পারলে তবেই তো। আটমাইলে যেতে না যেতেই শুনতে পেল যে শ্বেতীঝোরার কাছে পাহাড়ের উপর থেকে পাথরের চাঁই পড়ছে। ফলে বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি চলাচল বন্ধ …
Read More »যখন অন্ধকার হাতছানি দিল – নির্মাল্য ঘরামী
আলোটা এবারে দপ করে নিভে গেল। -যাহ! ওর মুখ দিয়ে শব্দটা প্রতিবর্তক্রিয়ার মতন-ই বেরিয়ে এল। এতক্ষণ তাও ভোল্টেজের ওঠাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর বাইরের বৃষ্টির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আলোটা জ্বলছিল, নিভছিল। কিন্তু এখন সূচীভেদ্য অন্ধকার। আর সেই অন্ধকার ভেদ করে ভেসে আসছে শিল পড়ার শব্দ। ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টির সঙ্গে …
Read More »কবিতা নয়, গল্প – নির্মাল্য ঘরামী
কফিতে খানিকটা চিনি মিশিয়ে স্টিক দিয়ে ভালো করে নাড়াতে নাড়াতে মধু জিজ্ঞেস করল, -তারপর? -আর কী? হাসল সুমন, -সান রে কোম্পানীটায় পোষাল না। যেভাবে খাটাচ্ছে, সেভাবে কমপেনসেট করছে না। এদিকে এই সরকারী চাকরিটা পেয়ে গেলাম। ছেড়ে দিয়ে মালদা থেকে সোজা এখানে। -কাজের চাপ কেমন? কৌতূহলী মুখে মধু কফির কাপ …
Read More »ঠিকানা – নির্মাল্য ঘরামী
-না, তুমি মারা যেতে পার না। আমি বিষণ্ণ, দুর্বল গলায় বলে উঠলাম। -আমি ঠিক-ই আছি। তালগোল পাকানো ঠোঙার মতন ভাঙাচোরা কণ্ঠে আমার স্ত্রী বলে উঠল। কথা বলতে ওর বেশ কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে সুস্থ দেখাবার আপ্রাণ প্রচেষ্টায় শরীরের সব শক্তি একত্র করে সে আমার দিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রকাশ করতে …
Read More »এখন কাজের সময়- নির্মাল্য ঘরামী
সুশীলা ওকে অনুরোধটা না করলে, হয়তো কাজটা হাতেই নিত না ভুবন। ফেসবুকে যোগাযোগ আছে ওরে সঙ্গে, যদিও তা অনিয়মিত। বাল্যের সেই টানটা হয়তো নেই, কিন্তু একটা চার্ম কি থেকে যায় না? আর এমনিতে মেয়েটা ওর থেকে কোনদিন কোন সাহায্য চায় নি। ফলে বাস্তববুদ্ধি সম্পন্ন মধ্য যৌবনে পৌঁছে গিয়েও ওকে না …
Read More »সানু নানি- মৌসুমী পাত্র
চরম খাড়াই রাস্তায় তীব্রগতিতে বাঁকের পর বাঁক পেরোচ্ছে গাড়িটা। ভয়ে চোখ বুজেই ফেললাম। আচমকাই পাশ থেকে মাসিমণি বলল, “নে, এবার চোখ খোল্। কালেবুঁ এসে গেছি।” “কালেবুঁ?”, আমি সংশয়ভরা দৃষ্টি মেলে তাকাই। “হ্যাঁ, রে, হ্যাঁ। তোরা যাকে কালিম্পং বলিস।” “মানে? কালিম্পং আর কালেবুঁ এক! ধুস, কী যে যা তা বকো না …
Read More »
utoldhara.com সপরিবার বাঙলির মনের ঠিকানা